1. admin@sobsomoynarayanganj.com : admin : MD Shanto
শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জনগনের টাকায় অস্ত্র ও গুলি ক্রয় করে জনগনের বিরুদ্ধে ব্যবহার সরকার – ইসহাত সরকার কথা নয় কাজে প্রমান করেছি : এড. জুয়েল শম্ভুপুরা কর্মী সম্মেলনে আওয়ামীগের দুই গ্রুপের সংর্ঘষ আহত ১৫ রূপগঞ্জে ধর্ষণের পর শিশু হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড ঝিনাইগাতীতে চাঞ্চল্যকর স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতাও জিয়াউর রহমান – মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ২০২৩-২৪ ইং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ মনোনীত পরিষদের প্যানেল পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতাও জিয়াউর রহমান – মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সোনারগাঁও থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেফতার ঢাবির হলে ছাত্র নির্যাতনের প্রতিবাদে মশাল মিছিল

শেরপুরে ঝিনাইগাতীতে বিধবা মতিজান বিবির ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারি ঘর

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৬১ বার পঠিত

মোঃ বিল্লাল হোসেন(ঝিনাইগাতী,শেরপুর) প্রতিনিধিঃ

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর বিধবা মতিজান বিবির ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারি ঘর। ফলে দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ একটি ভাঙ্গা ঘরে বসবাস করে আসছেন মতিজান বিবি। বহুবার স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের কাছে একটা ঘর চেয়ে আবেদন নিবেদন করলেও তিনি পেয়েছিলেন শুধুই প্রতিশ্রুতি। তাই তিনি আক্ষেপ করে বলেন মরার আগে তার ভাগ্যে জুটবেকি একটি সরকারি ঘর।

মতিজান বিবি উপজেলার কাংশা ইউনিয়ন গান্দিগাও উত্তর পাড়া গ্রামের আজিজুল হক টগরের স্ত্রী ।

১৯৭১ সালে তার বিবাহ হয়। দুই ছেলে এবং দুই মেয়েসহ চার সন্তানের জননী হন মতিজান বিবি। বিবাহের পর থেকে সংসারে অভাব অনটন লেগেই থাকত তার। তিনি আরও জানান তার স্বামী আজিজল হক টগর চার সন্তানসহ স্ত্রীকে ফেলে রেখে ৩০ বছর আগে আরেকটা সংসার বাঁধেন। ওই সময় চার সন্তানের মুখে খাবার দিতে অনেক কষ্ট পোঁহাতে হয় তাকে।

খেয়ে না খেয়ে সারাদিন পাহাড় থেকে লাকড়ি সংগ্রহ করতেন এই বৃদ্ধা। দিন শেষে লাকড়ি কুড়িয়ে বাড়িতে এনে আগুনে পুড়িয়ে কয়লা প্রস্তুত করা হত। এরপর তা বাজারে বিক্রি করে যা অর্থ উপার্জন হত তা দিয়ে সংসারের ছেলে মেয়ের ভরনপোষণ যোগাতেন । মতিজান বিবির ছিলো বুকভরা আশা সন্তানেরা বড় হলে তার কষ্টের অবশান হবে। কিন্তু শে আশায় গুড়ে বালি মতিজান বিবির। তার দায়িত্ব নেয়নি কোন সন্তান। এক সময় তিনি দিন রাত পরিশ্রম করতে পারলেও এখন আর আগের মতো কাজ কর্ম তো দূরের কথা বয়সের ভারে চলাফেরাও করতে পারেন না তিনি।

স্থানীয়রা জানান তার স্বামীর ভিটে মাটি না থাকায় তিনি থাকতেন অন্যের বাড়িতে। এরপর গত ৫-৬ বছর আগে পার্শ্ববর্তী দরবেশ তলা নামক পাহাড়ি উঁচু টিলায় বন বিভাগের জমির উপর তার জন্য একটা ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়। ঘরটির চার পাশে রয়েছে কয়েকটি পুরনো ঢেউ টিন আর চালে রয়েছে পলিথিনের ছাউনি। বর্ষাকালে বৃষ্টিতে ভিজে যায় মেঝে আর ঝড় তোফানে ঘর টি হাওয়ায় দোল খায়। তবুও ছোট্ট ঘরটিতে খেয়ে না খেয়ে অনাহারে-অর্ধহারে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছেন অসহায় হতদরিদ্র বৃদ্ধা মতিজান।

বৃদ্ধা মতিজানের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আল মাসুদ বলেন, উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ইতিপূর্বে ‘ক’ এবং ‘খ’ দুটি তালিকা করা হয়েছে। মতিজান বিবির নাম তালিকায় আছে কি-না যাচাই করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সেখানে তার নাম না থাকলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি ভূমিহীন হলে খুঁজ নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের যে কোন সুযোগ সুবিধা তাকে পাইয়ে দেওয়ার ব্যাবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Bartoman News
Theme Customized By Theme Park BD