1. admin@sobsomoynarayanganj.com : admin : MD Shanto
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গণপরিবহনে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে মহিলা পরিষদ এর মতবিনিময় সভা শেরপুরে প্রতিবন্ধী দিবস পালিত শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ পালিত শেরপুরের শ্রীবরদীতে জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে প্রতিবন্ধীদের মাঝে শীত বস্ত্র ও খাবার বিতরণ নেত্রকোণায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ২০২২ পালিত শেরপুরের নকলায় ৫০০ কৃষক পেল উন্নত জাতের হাইব্রিড বোরোধান বীজ কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়ে বিএনপি নেতাদের মিথ্যা মামলায় হয়রানী করা হচ্ছে নৌ- শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটে লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনে এসপি মিনা মাহমুদা বক্তাবলী গণহত্যা দিবস আজ ১লা জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা

দুই ইউনিয়নের দুই আতংকবাজ!

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৪৩ বার পঠিত

বর্তমান নিউজ.কমঃ

একজন বক্তাবলীর আকবরনগরের সামেদ আলী খাঁ ওরফে সামেদ হাজি,অপর জন হচ্ছেন কাশিপুর ইউপির ৭ নং ওয়ার্ডের রিয়াজ প্রধানের ছেলে দূর্ধর্ষ রাজু প্রধান। একজন মাছ বিক্রেতা থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী বনে হয়েছেন কোটিপতি আর অপরজন ছিচকে সন্ত্রাসী থেকে পুরো ওয়ার্ডবাসীর আতংক হিসেবেই সুপরিচিত।

একজনের প্রশ্রয়দাতা হিসেবে কাজ করেছেন বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম শওকত আলী আর অপরজনের প্রশ্রয়দাতা হিসেবে কাজ করছেন স্থানীয় মুষ্টিমেয় প্রভাবশালী নেতা ও বিশেষ পেশার কতিপয় ব্যক্তিরা।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম শওকত আলীর প্রশ্রয়ে থেকেই সামেদ আলী বক্তাবলীর আকবরনগর, আনন্দবাজার, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানার বালুচর ও কেরানীগঞ্জে সন্ত্রাসী তান্ডব ও আতংক চালিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, ডাকাতি, অনৈতিক কার্যকলাপ সহ মাটি কাটা থেকে এমন কোন অপরাধ নেই যা করছেনা তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিছুদিন পর পর সামেদ আলী ও তার ছেলেদের গ্রেফতার করলেও অদৃশ্য বলয়ে তারা বারবার ছাড়া পেয়ে আবারো সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছে। পালিত সেই সন্ত্রাসীই এখন শওকত চেয়ারম্যানের গলারকাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ২৩ আগষ্ট শওকত চেয়ারম্যানের ভাতিজা নুরুল হকের শ্যালকের দোকান থেকে ১ হাজার টাকা ধার নেয় সামেদ আলীর ছেলে ওসমান গনি। সেই টাকা ফেরত নিয়ে ২৫ আগস্ট নুরুল হকের সাথে বাকবিতন্ডা লাগে। এর সূত্র ধরে সেই দিনই শওকত চেয়ারম্যানের বাড়ীতে হামলা করে ভাংচুরের তান্ডব ও চেয়ারম্যানের ভাবী, ভাতিজা নুরুল হক ও ভাতিজা বউ সহ ৬ জনকে মারধর করে সামেদ আলী গ্যাং।

এ ঘটনার জেরে ২৯ আগষ্ট সোমবার সকাল ৯টার দিকে সামেদ আলীর লোকজন এবং বক্তাবলী ইউনিয়নের পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণেরও ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শটগানের ২০টি গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে। এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় বিরাজ করছে আতঙ্ক তার একটাই কারণ প্রশ্রয়দাতা শওকত চেয়ারম্যানই সামেদ আলী গ্যাংয়ের শত্রুতে পরিণত হয়ে উঠেছে তাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, সামেদ আলী শওকত আলীর চেয়ারম্যানেরই গড়া। উনার প্রশ্রয়ে আজ এত দূর বেড়েছে। শুরু থেকেই যদি চেয়ারম্যান সামেদ আলীকে প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে ব্যবস্থা করতো তাহলে বক্তাবলি ইউনিয়নে এত সহিংসতা, সংঘর্ষ, খুন ও মারামারি হতো না। নিজের স্বার্থে এত দিন সামেদ আলীকে ব্যবহার করছে। সামেদ আলীকে আওয়ামী লীগের নেতাও বানিয়েছে। এতে তো এক এলাকার মানুষের শান্তি নষ্ট করছে। হাজার মানুষ নয়, এক সামেদ আলীতেই পুরো এলাকায় সর্বনাশ ডেকে আনছিলো। আজ সামেদ আলীকে যেই দূর্র্ধর্ষ সন্ত্রাসী বানিয়েছে, তার ঘরেই হানা দিয়েছে।

এই সামেদ আলীই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাদের ও বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম শওকত আলীকে ম্যানেজ করে বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও বক্তাবলী ১নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ আয়ত্তে করে নিয়েছিলো। কিছুদিন পর পর আকবরনগরে রক্তের হলি খেলে এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ড (হামলা, ভাংচুর ও অসামাজিক কার্যকলাপ) করে ফতুল্লার রামারবাগে এসে আত্মগোপনে থাকেন সামেদ আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা।

অন্যদিকে আকবরনগরের হতদরিদ্র সোবহান খাঁ ঘরে জন্মগ্রহন করেন সামেদ আলী খাঁ ওরফে সামেদ হাজি। জীবিকার তাগিদে আকবরনগর থেকে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ মাওলা বাজার এলাকার বিভিন্ন খাল বিল থেকে মাছ ধরে বিক্রি করতেন এই সামেদ আলী। আর এখন সেই মাছ বিক্রেতা হয়ে উঠেছেন দূর্র্ধর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, ডাকাত ও খুনি। এছাড়াও অন্যের জমি থেকে মাটি কাটা থেকে শুরু করে এমন কোনো অন্যায় কাজ নেই যা সামেদ আলীর দ্বারা সংঘঠিত হয়নি।

দুই যুগ আগে প্রতাবনগরে আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে মোতালেব খা খলিল নামে এক ব্যক্তিকে আনছার আলীর ইট ভাটায় জীবন্ত পুড়িয়ে মারে। এই হত্যার পর মোতালেব খা গাঁ ডাকা দিলে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে সামেদ আলী। সেই সময় কেরানীগঞ্জের কাশেম নেতার শেল্টারে থেকে সামেদ আলী নদীতে শুরু করে ডাকাতি, মাটির ট্রলার থেকে চাঁদাবাজি, এলাকার মানুষদের জিম্মি করে টাকা পয়সা লুট সহ নানা অপকর্ম। আর এখান থেকেই সামেদ আলীর অপরাধ জগতের সূত্রপাত ঘটে। পরে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম শওকত আলীর শরণাপন্ন হয়ে ঘনিষ্ঠজন হয়ে যান। বক্তাবলির সর্বত্র তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছেন। চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ও আংতক বিরাজমান রাখতে কাজ করে এই সামেদ আলী। পিতা সামেদ আলীর পথ অনুসরণ করে ছেলেরাও হয়ে উঠেছে পিতার মত দূর্র্ধর্ষ সন্ত্রাসী। গড়ে তুলেছে একাধিক টেটা বাহিনী। একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টেটা-বল্লম উদ্ধারসহ সামেদ আলীর ছেলেদের গ্রেফতার করেও দমাতে পারেনি আকবরনগরে সন্ত্রাস। শুধু আকবরনগর নয় এর প্রভাব পড়েছে আনন্দবাজার, সিরাজদিখানের বালুচর ও কেরানীগঞ্জেও। আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে কিছুদিন পর পর বালুরচরের আরেক সন্ত্রাসী হাসান আলীর সাথে সামেদ আলীর টেটা যুদ্ধ হয়।

বক্তাবলীর আকবরনগর, সিরাজদীখানের বালুর চর ও আনন্দ বাজার এলাকায় সামান্য কথা কাটাকাটির জেরে এলাকার বিভিন্ন বাড়ি থেকে মুহুর্তেই কয়েকশত টেটা বের হয়। এই চরাঞ্চলে টেটাই হলো একেকটি দলের মূল শক্তি। আর এই টেটা যুদ্ধে যে দল পরাজিত হয় সে দলের বাড়িঘর ভাংচুরসহ গবাদিপশু মহাআনন্দে লুটপাট করে বিজয়ী দল। আর গবাদি পশু জবাই করে আদিম নৃত্য করে আনন্দ প্রকাশ করে তারা। টেটাতে কাউকে বধ করে হত্যা করতে পারলেও চলে হৈ হুল্লোড়। শুধু তাই নয়, পরাজিত দলের আত্মীয় স্বজনদেরও এলাকা ছাড়া হতে হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন সময় টেটা উদ্ধার করলেও যেখানে কয়েক হাজার ঢেঁটা জমা রাখা হয়, সে জায়গার সন্ধান প্রশাসনের লোকজনও জানে না। যে কারণে আকবরনগর, বালুরচর এলাকা টেটা মুক্ত করা যাচ্ছে না কোনভাবেই।

শুধু টেটা যুদ্ধ করেই শান্ত থাকে না সামেদ আলী এর আগে ২০১৮ সালে বক্তাবলির রহিম হাজীর ইটভাটার মাটির কন্ট্রাক্ট জয়নাল মন্ডলকে হত্যা করে সামেদ আলী গ্যাং। এছাড়াও আলী হোসেন নামে এক ব্যক্তির আকবরনগরের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় তারা ওই ব্যক্তিসহ আশপাশের ৬টি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ঘরের আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়াও গত বছরের ১৮ মে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সিরাজদীখান থানার অংশে আকবরনগরে আকলিমা বেগম নামে এক নারীর বাড়িতে দলবল নিয়ে হামলা চালায় সামেদ আলী। এসময় ওই বাড়ির লোকজনদের ব্যাপক মারধর করে ৩৫টি গরু লুট করে নিয়ে যায় তার লোকজন।

জয়নাল আবেদীন ও ফজর আলীর বাড়িতে দলবল নিয়ে হামলা চালায় সামেদ আলী। এসময় তারা ব্যাপক লুটপাট চালিয়ে বাড়ির লোকজনদের মারধর করে দুইটি গরু নিয়ে যায় এবং বাড়িতে আগুন দিয়ে ঘর পুড়িয়ে দেয়।

অপরজন কাশিপুর ইউপির ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রিয়াজ প্রধানের দুই ছেলে রাজু ও সাজু প্রধান। অতিরিক্ত নেশার ফলে সাজু ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ায় অপরাধ জগত থেকে কিছুটা দুরে রইলেও তার অপরাধ জগতের অন্যতম সদস্য ভাই রাজু প্রধানের অপরাধ সা¤্রাজ বন্ধ হয়নি বরং কতিপয় সাংবাদিক ও পুলিশের কিছু অর্থলোভী সদস্য’র আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এতটাই বেপরোয়া হয়ে পড়েছে যে রাজু প্রধানের অপরাধ জগত ভাঙ্গতে স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বার এমনকি থানা পুলিশও অনেকটা হিমশিম খাচ্ছে। একের পর এক অপরাধযজ্ঞ চালিয়ে গেলেও যেন লাপাত্তাই রয়েছে কাশিপুর ৭ নং ওয়ার্ডের নুর মসজিদ ও আশপাশ এলাকার মুকুটহীন অপরাধ জগতের স¤্রাট রাজু প্রধান।

সূত্রমতে জানা যায়, রিয়াজ প্রধানের ছেলে রাজু প্রধানের বিরুদ্ধে ফতুল্লা ও সদর মডেল থানায় নামীয় প্রায় ১৩টি মামলা এবং নাম পরিবর্তন করে আরো প্রায় ৬টি মামলা রয়েছে। এতগুলো মামলা থাকার পরও পুলিশ প্রশাসন কেনইবা রাজুকে তার সঙ্গীয়সহ গ্রেফতার করছে না তা নিয়ে স্থানীয়দের ভিন্নমত। তাদের দাবী থানা পুলিশের কতিপয় সদস্য নিয়মিতভাবে রাজু প্রধানের অপরাধ জগত থেকে মসোহারা নিতো বলে অত্র এলাকায় রাজুর অপরাধ নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হলে উল্টো বাদীকেই বিভিন্নভাবে হুমকী প্রদান করা হতো। রাজু প্রধানের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে কয়েকমাস পুর্বে র‌্যাব-পুলিশসহ কয়েকটি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও কোন সুরাহা পায়নি। গত সপ্তাহে নুর মসজিদ এলাকায় এক সমাবেশে স্থানীয় এক বক্তা বলেছিলেন যে, রাজু অপরাধ জগত থেকে কে বা কারা মাসোহারা নিয়ে ওকে নিয়মিত শেল্টার দিতো। সেখানে কয়েকজন পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জুয়েল, বাবু ও সানি সহ আরো কয়েকজন বিশেষ পেশার ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছিলো।

এদিকে আবারো হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে উঠা রাজু প্রধান ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছে ভুক্তভোগী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, এলাকার ইন্টারনেট ব্যবসা, ড্রেন নির্মাণ এবং সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যবসাও একক নিয়ন্ত্রন করতো রাজু প্রধান ও তার সঙ্গীরা। যদি কেউ রাজুর বিরুদ্ধাচারন করে তাহলে তাদের উপর নেমে আসতো নির্যাতনের ষ্টীম রোলার।

তারা আরও বলেন, রাজু প্রধান ৭ নং ওয়ার্ডের নুর মসজিদ এলাকায় ৩০/৩৫ জন বিপথগামী ছেলে নিয়ে গড়ে তুলেছে অপরাধের বিশাল সা¤্রাজ্য। যে গ্রুপটি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই মাদক বিক্রি, জমি দখল, বাড়ি দখলসহ এমন কোন অপরাধ নেই যা তাদের দ্বারা সংগঠিত হয়না।

গত কয়েকদিন যাবত এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে রাজু প্রধান ও তার বাহিনীর সদস্যরা যাকে শায়েস্তা করতে এলাকাবাসী তো দুরের কথা খোদ পুলিশ প্রশাসনের পক্ষেও সম্ভব হয়ে দাড়াচ্ছেনা। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিমত, ফতুল্লা মডেল থানার একাধিক পুলিশ সদস্যদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে মাসোহারা দিয়েই রাজু প্রধান তার বাহিনী দিয়ে এলাকাতে নতুনভাবে অপরাধের সা¤্রাজ্য গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে। গত ১লা সেপ্টেম্বর ভোলাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে মাকসুদা বেগম (৩৫) এক নারীকে হত্যার চেষ্টাও চালায় রাজুর বাহিনীর সদস্যরা। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় ভুক্তভোগীর স্বামী রিয়াজ আলী বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামী করে অভিযোগটি দায়ের করেন।

সেই ঘটনায় থানা পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করলেও অপরাধের মুল হোতা রাজু প্রধান ও তার বাহিনীর সদস্য সাল্লু ও মুসলিমগংদের গ্রেফতার করতে পারেনি। যার ফলে প্রতিদিনই রাজু বাহিনীর সদস্য নুর মসজিদ এলাকায় তাদের অপরাধের তান্ডব চালাচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে রাস্তা উভয় পাশে থাকা দোকান মালিকরা। এত কিছুর পরও থানা পুলিশ কর্তৃক সন্ত্রাসী রাজু প্রধান ও তার বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতার না করায় স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে বিরুপ প্রতিক্রিয়া।

স্থানীয় অনেকেই বলছেন, এ যেন শর্ষের ভেতরে ভুতের অবস্থান। অথ্যাৎ থানা পুলিশ এর কিছু অর্থলোভী সদস্যদের নিয়মিত মাসোহারা দিয়ে নুর মসজিদ ও আশপাশে বিভিন্ন অপকর্ম চালাচ্ছে রাজু প্রধান ও তার বাহিনী। যার ফলে পুলিশ রাজুকে সঙ্গীয়সহ আটক করছে পারছেনা পুলিশ। কারণ অপারেশনের আসার আগেই হয়তবা রাজুর কান পর্যন্ত পৌছে যায় পুলিশী অভিযানের সংবাদটি। যার ফলে দ্রুত সটকে যেতে পারে রাজু প্রধান গং।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Bartoman News
Theme Customized By Theme Park BD