1. admin@sobsomoynarayanganj.com : admin : MD Shanto
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডে নিহতের ঘটনায় আজমেরী ওসমানের শোক ভাষা সৈনিক সামসুজ্জোহার স্মরনে তাঁতীলীগ রামারবাগ ইউনিট এর উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর বিক্রির প্রতিযোগিতা চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের মাঝে সৈয়দপুরে মজিবনগরে ২৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে দুই শিশুকে ধর্ষণ আমরা হয়তো চলে যাবো কিন্তু নবপ্রজন্ম কে সুযোগ দিতে হবে- এ্যাড,আবু হাসনাত বাদল সৈয়দপুর পাঠান নগরে নাসিম ওসমান ক্রীকেট টুনার্মেন্ট এর শুভ উদ্বোধন করেন – পারভীন ওসমান ফতুল্লা ইউপি”র উপ নির্বাচনে অটোরিকশা প্রতিক পেয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী-ফাইজুল ইসলাম যেখানে মাদক না থাকে সেই এলাকা ফুলের বাগান হয়ে যায়- কালাম মুন্সি  রেকারের কনস্টেবল শহীদুল বাহিনীর মারধরে হসপিটালে ভর্তি সিএনজি চালক যুবরাজ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নব নির্বাচিত যুব ও ক্রীড়া উপ কমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন

ভোক্তা অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ একই মানের চাল প্যাকেটজাত করে নেওয়া হচ্ছে বাড়তি দাম

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৭৫ বার পঠিত

একই মানের চাল শুধু প্যাকেটজাত করেই খোলা বাজারের চেয়ে ৩০ শতাংশেরও বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভোক্তাদের ঠকিয়ে বাড়তি মুনাফা করছে সুপারশপসহ এ ধরনের প্যাকেটজাত পণ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো। অন্যদিকে প্যাকেটজাত চালের বেশি দামের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে খোলা বাজারে। এতে বেড়ে যাচ্ছে চালের দাম। একইভাবে চিনি, লবণসহ অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রেও প্যাকেটজাত করে বাড়তি মুনাফা করছেন ব্যবসায়ীরা। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক পর্যবেক্ষণে খোলা ও প্যাকেটজাত পণ্যের দামের এই ফারাক উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অধিদপ্তরে বিভিন্ন কোম্পানির সুপারশপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দামের পার্থক্যের চিত্র তুলে ধরেন সংস্থাটির মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, চালসহ নিত্যপণ্যের খোলা ও প্যাকেটজাত অবস্থায় দামের অসংগতি দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল খোলা অবস্থায় গড়ে ৬৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু সেই একই মানের চাল প্যাকেটজাত করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। এসব ব্র্যান্ডের চাল অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুপারশপে বেচাকেনা হয়। অধিদপ্তর সুপারশপগুলো থেকেই তথ্য সংগ্রহ করেছে। তাতে দেখা গেছে, মিনিকেট চালে ১৪ থেকে ৩৩ শতাংশ এবং চিনিগুঁড়া চালে ২১ থেকে ২৯ শতাংশ মুনাফা করছে সুপারশপগুলো। একইভাবে লবণে সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ এবং ইলিশ মাছে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করছে।

সফিকুজ্জামান বলেন, সুপার প্রিমিয়ামের নামে ৫২ টাকার চাল বিক্রি করছে ৮৮ টাকায়। কে কত টাকা লাভে পণ্য বিক্রি করছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুপারশপগুলোর প্রতিনিধিরা বলেন, প্যাকেটজাত পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) সুপারশপগুলো নির্ধারণ করে না; বাজারজাতকারী ব্র্যান্ডগুলোই তা নির্ধারণ করে। ফলে বাড়তি দামের দায় তাঁদের নয়। নিয়ম অনুযায়ী তাঁরা মুনাফা করছেন।

স্বপ্ন সুপারশপের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার তানিম খান বলেন, অতিরিক্ত নয়, বাজারের প্রচলিত নিয়মেই মুনাফা করা হচ্ছে।

মিনিকেট চাল নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বলেছে, মিনিকেট বলতে কোনো চাল নেই। এ বিষয়ে অধিদপ্তর মাঠে নামবে। তবে মোটা চালের ভোগের পরিমাণ বাড়লে মিনিকেট নামের চালের প্রতারণা কমবে।

এদিকে আজ বুধবার সাবান, ডিটারজেন্ট, পেস্টসহ জাতীয় পণ্যের দাম অধিক হারে বাড়ল কেন তা জানতে এসব পণ্যের উৎপাদক ও বাজারজাতকারীদের নিয়ে আরেকটি সভার আয়োজন করেছে অধিদপ্তর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Bartoman News
Theme Customized By Theme Park BD