1. admin@sobsomoynarayanganj.com : admin : MD Shanto
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পিবিআই এর পুলিশ পরিদর্শক আতাউর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডে নিহতের ঘটনায় আজমেরী ওসমানের শোক ভাষা সৈনিক সামসুজ্জোহার স্মরনে তাঁতীলীগ রামারবাগ ইউনিট এর উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর বিক্রির প্রতিযোগিতা চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের মাঝে সৈয়দপুরে মজিবনগরে ২৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে দুই শিশুকে ধর্ষণ আমরা হয়তো চলে যাবো কিন্তু নবপ্রজন্ম কে সুযোগ দিতে হবে- এ্যাড,আবু হাসনাত বাদল সৈয়দপুর পাঠান নগরে নাসিম ওসমান ক্রীকেট টুনার্মেন্ট এর শুভ উদ্বোধন করেন – পারভীন ওসমান ফতুল্লা ইউপি”র উপ নির্বাচনে অটোরিকশা প্রতিক পেয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী-ফাইজুল ইসলাম যেখানে মাদক না থাকে সেই এলাকা ফুলের বাগান হয়ে যায়- কালাম মুন্সি  রেকারের কনস্টেবল শহীদুল বাহিনীর মারধরে হসপিটালে ভর্তি সিএনজি চালক যুবরাজ

ফরিদপুরে গরমে হাসপাতালে বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২
  • ১১৬ বার পঠিত

তীব্র গরম আর দিনরাত উচ্চ তাপমাত্রা সপ্তাহজুড়ে। আর এতে প্রতিদিন বাড়ছে ফরিদপুরে শিশু রোগীর সংখ্যা। ফরিদপুর শিশু হাসপাতালে গত সাত দিনে আউটডোরে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়েছে রোগী। তাদের অধিকাংশ ঠান্ডা, জ্বর, ডায়রিয়া, হাত-পায়ে চুলকানি সমস্যা জনিত কারণে হাসপাতালে আসে।

শনিবার শহরের ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসাপতালে গিয়ে দেখা যায়, জেলা সদর ও আশপাশের এলাকা থেকে অভিভাবকরা তাদের অসুস্থ শিশু সন্তান নিয়ে আউটডোরে ভিড় করেছেন চিকিৎকের পরামর্শ নিতে। ভর্তি হওয়া রোগীও হয়েছে দ্বিগুণ।

শিশু হাসপাতালের তথ্য মতে, গত সাত দিনের গরমে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ। শুধু গরমের কারণে অসুস্থ হয়ে আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুর সংখ্যা ছিল প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০।

শহরতলীর বাখুন্ডা থেকে অসুস্থ শিশু মেয়ে ইমাকে (৩) নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন গৃহবধূ সাফিয়া বেগম। তিনি জানান, শনিবার দুপুরে মেয়েকে নিয়ে শহরের শিশু হাসপাতালে আসেন। দুদিন হলো বাচ্চার ঠান্ডাজনিত জ্বর হয়েছে। ডাক্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি জানান, তার মতো অনেক মা বাবা তাদের শিশুদের নিয়ে ভিড় করছেন ওই হাসপাতালে।

তবে ফরিদপুর অঞ্চলের বিশেষায়িত এই হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলছেন, এতে ভয় পাওয়ার বা শঙ্কিত হবার কোনো কারণ নেই। শিশুদের অভিভাবকরা একটু সচেতন হলেই সাময়িক এই সমস্যা থেকে উত্তোরণ সম্ভব।

ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসাপতালে চিকিৎসক মৃত্যুঞ্জয় সাহা স্বপন বলেন, ‘গরমের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ শিশু অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছে।’

তিনি বলেন, ‘এই সময়ে শিশুরা যেন ঘরের বাইরে না যায়। তাদের পর্যাপ্ত পানি, মৌসুমী ফল ও স্যালাইন খাওয়ানো যেতে পারে। প্রয়োজনে চিকিৎকের পরামর্শ নিতে হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Bartoman News
Theme Customized By Theme Park BD