1. admin@sobsomoynarayanganj.com : admin : MD Shanto
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গণপরিবহনে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে মহিলা পরিষদ এর মতবিনিময় সভা শেরপুরে প্রতিবন্ধী দিবস পালিত শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ পালিত শেরপুরের শ্রীবরদীতে জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে প্রতিবন্ধীদের মাঝে শীত বস্ত্র ও খাবার বিতরণ নেত্রকোণায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ২০২২ পালিত শেরপুরের নকলায় ৫০০ কৃষক পেল উন্নত জাতের হাইব্রিড বোরোধান বীজ কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়ে বিএনপি নেতাদের মিথ্যা মামলায় হয়রানী করা হচ্ছে নৌ- শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটে লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনে এসপি মিনা মাহমুদা বক্তাবলী গণহত্যা দিবস আজ ১লা জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা

বন্যায় তলিয়ে গেছে চরাঞ্চলের বাদামখেত, কৃষকের মাথায় হাত

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২
  • ৭১ বার পঠিত

একমাস আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ হাজার বিঘা পাকা ধান উজানের ঢলে তলিয়ে যায়। স্থানীয় কৃষকরা সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চেয়েছিলেন বাদাম চাষ করে। কিন্তু সেই ক্ষত সামলে উঠতে না উঠতেই অতি বর্ষণসহ আগাম বন্যায় এলাকার প্রায় এক হাজার বিঘা বাদাম খেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে লোকসান হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ।

মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের সোনাতলা ও জামারবালি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, নৌকা দিয়ে হাঁটু পানি থেকে বাদাম তুলছেন কৃষক ও কৃষাণিরা। গত দুই দিনে মেঘনার পানি পাঁচ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। চাষিরা জানান, যে বাদাম এখন তোলা হচ্ছে তার অধিকাংশই অপরপিক্ক।

বাদাম চাষী মেরাজ মিয়া বলেন, ছয় বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করছি। ভাবছিলাম, দুই একদিনের মধ্যে সব বাদাম তুইল্ল্যালামু কিন্তু খেতে গিয়া দেহি সব পানির নিচে। অহন এই বাদাম তুইল্লাও কোন লাভ নাই। বাদাম পোক্তা হয়ছে না। ইতা গরুও খাইতনা।

মো রজব আলী নামে আরেক কৃষক জানান, এই ইউনিয়নের জামারবালি, সোনাতলা ও মাইজখোলা গ্রামের মধ্যে প্রায় ১২০০ বিঘা বাদাম খেত আছে। গত তিনদিনে ৫-৬ ফুট পানি বাড়ার কারণে সব তলিয়ে গেছে। এখন বাোম তুলতে কাজের লোকও পাওয়া যাচ্ছে না।

কৃষক ফতু মিয়া বলেন, গোয়ালনগর ইউনিয়নে প্রায় এক হাজার বিঘা বাদাম খেত আছে। হঠাৎ পানি আসায় সব খেত পানির চার-পাঁচ ফুট নিচে চলে গেছে। আমাদের খুব বেশি ক্ষতি হয়ে গেছে। কিছুদিন আগেও পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছিল। সেই সময়ও কোন সরকারি সহযোগিতা পায়নি। এখন পরিবার পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে আছি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, নাসিরনগর উপজেলায় এ বছর ২০০ হেক্টর জমিতে বাদাম আবাদ করা হয়েছিল। এর মধ্যে গোয়ালনগর ইউনিয়নে প্রায় এক হাজার বিঘা বাদাম চাষ করা হয়েছিল। উপজেলায় বাদাম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছেলি প্রায় ৫০ হাজার মণ। কিন্তু উজানের পানির কারণে হঠ্যাৎ বন্যায় সে লক্ষ্যমাত্রা এবার অর্জিত হবে না।

গোয়ালনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আজহারুল হক বলেন, নাসিরনগর উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাদাম চাষ করা হয় আমাদের ইউনিয়নে। কিন্তু এবছর আগাম বন্যার কারণে কৃষক ফসল ঘরে তুলতে পারেনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাইদ তারেক বলেন, নাসিরনগরের কয়েকটি চরাঞ্চলে বাদাম চাষ করা হয়। এ এলাকার চরাঞ্চলে আগে আলু চাষ করা হয়, তার পর চাষ হয় বাদাম। এলাকাটি নিচু হওয়ায় পানিতে তলিয়ে যায়। প্রথমই বাদাম চাষ করা হলে পানিতে সব তলিয়ে যেত না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Bartoman News
Theme Customized By Theme Park BD